1. admin@dailyfulbariasangbad.com : admin :
সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬, ০৪:১৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ফুলবাড়ীয়ায় সম্প্রসারিত উপজেলা পরিষদ প্রশাসনিক ভবন উদ্বোধন করলেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ! ত্রিশালে চারটি শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করল বইলর কানহর এডিএস আলিম মাদ্রাসা মানুষের সেবাই যার ব্রত সরকারি দায়িত্ব শেষে রোগীর পাশে ডাঃ নাহিদ সুলতানা কমলা জলাশয় মৎস্যজীবীদের জন্য উন্মুক্ত: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফুলবাড়ীয়ায় প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য বৃদ্ধিতে ঢাকায় ফুলবাড়ীয়া সমিতির ফল উৎসব ময়মনসিংহে মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার ও অবৈধ পাচারবিরোধী আন্তর্জাতিক দিবস নির্যাতিতদের সমর্থনে আন্তর্জাতিক দিবসে ময়মনসিংহে অধিকারের মানববন্ধন ফুলবাড়ীয়ায় অপপ্রচার ও শিষ্টাচারবহির্ভূত রাজনীতির বিরুদ্ধে যুবদলের প্রতিবাদ মিছিল ও সমাবেশ ময়মনসিংহে ছাত্রদলের প্রতিবাদ বিক্ষোভ ও সমাবেশ

“নাম গোপন রেখে বললেন এক SSF কর্মকর্তা”

  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৪
  • ১১৪ বার পঠিত

স্টাফ রিপোর্টার: বার বার শেখ রেহানাকে চলে যেতে বলেন শেখ হাসিনা।

তুই চলে যা, আমি ওদের(আর্মি) বলে দিয়েছি আমাকে মেরে ফেলার পর যেন আমার বাবার কোলে আমাকে শুইয়ে দেয়। কিন্তু রেহানা প্রতিবারই অঝোরে কাঁদছিলেন আর সাফ জানিয়ে দেন শেখ হাসিনাকে রেখে তিনি যাবেন না।

কারণ রেহানা জানতেন হাসিনাকে রেখে যাওয়া মানে এটাই বড় বোনের সাথে তার জীবনের শেষ দেখা হবে। রেহানা পরিবারের সবাইকে হারিয়েছেন, বড় বোন ছাড়া তাঁর আর কেউ নেই। তাই কোনভাবেই ব্যবস্থা করতে না পেরে শেষে জয় এবং পুতুলকে দিয়ে শেখ হাসিনাকে দেশ ছাড়ার জন্য চেষ্টা করতে থাকেন। অবশেষে ছেলে-মেয়ে ও একমাত্র ছোট বোনের জোরা জোরিতে শেখ হাসিনা ভারত সরকারের কাছে সহযোগিতা চায় যেন ভারতীয় বিমানে তাকে ভারতে নিয়ে যাওয়া হয়।

কিন্তু ভারত সরকার জানায় আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী তারা বাংলাদেশের আকাশ সীমায় ভারতীয় বিমান নিয়ে প্রবেশ করতে পারবেনা তাই যেকোন উপায়ে শেখ হাসিনা বাংলাদেশ থেকে ভারতের মাটিতে আসলেই তারা তাকে সব ধরনের সহযোগিতা করবে। তারপর শেখ হাসিনা বাংলাদেশ নিজের কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের জন্য সেনাবাহিনীর কাছে ২ দিন সময় চান কিন্তু সেনাবাহিনী তাকে মাত্র ৪৫ মিনিট সময় দেন। যাবার আগে একবার ধানমন্ডি-৩২ এর বাসভবন ও টুঙ্গিপাড়ায় তার বাবার কবর দেখতে যেতে চেয়েছিলেন শেখ হাসিনা।

কিন্তু সেনাবাহিনী তাকে সেটি থেকেও বিরত রাখে। কর্মী ও দেশবাসীর জন্য একটি ভাষণ রেকর্ড করে দিয়ে যেতে চেয়েছিলেন। তাকে সেই সুযোগও দেয়া হয়নি।

এই দেশের মানুষের জন্য দিনরাত এক করে খেটে যাওয়া এক বাঙ্গালী লৌহ মানবী চাপের মুখে দেশ ত্যাগ করতে বাধ্য হলেন একখানা সাদা শাড়ি গায়ে জড়িয়ে। যার পুরো পরিবারকে এদেশেই হত্যা করেছিলো কিছু বিপদগামী সেনা কর্মকর্তা। আর এই দেশের মানুষের জন্যই জীবনের সবসুখ বিসর্জন দেয়া সেই বাঙ্গালী নারীকে শেষবারের মতো তার বাবার কবরটাও দেখতে দেয়া হয়নি। অথচ তোমরা বলো সব দোষ তাঁর ? তোমরা স্মরণ করিয়ে দিলে মীর জাফর, খন্দকার মোশতাকদের কথা।

বাঙ্গালী গোলামের জাতি আজীবন অন্যের গোলামী করেই যেতে হবে। মনে রেখো এ স্বাধীনতা নয়, এ পরাধীনতা কিংবা গোলামির আরেক অধ্যায়।

অথচ এই মহিলা তোমাদেরকে বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে বাঁচার স্বপ্ন দেখিয়েছিলো। আজ মানুষ খুন করে এই দাসত্বের শুরুটা উজ্জাপন করে নাও। কয়েক বছর পরেই আবার শেখ হাসিনার জন্যেই কাঁদবে আর আফসোস করবে। সেদিন আর কি কোন লাভ হবে ??? তখন বুঝবে দেশের মানুষ কি হারিয়েছে।

সূত্র: ভারতের NDTV, কপি: ফজলুল বারী।

Facebook Comments Box
এই জাতীয় আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৪ দৈনিক ফুলবাড়ীয়া সংবাদ
Theme Customized By Shakil IT Park
error: Content is protected !!