স্টাফ রিপোর্টার(ফুলবাড়িয়া): ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়া-৬ আসনে সম্ভাব্য প্রার্থী তানভীর আহমদ রানা বর্তমানে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। এলাকাজুড়ে তাঁর নাম উচ্চারিত হচ্ছে নতুন নেতৃত্বের প্রতীক হিসেবে। বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তাঁর জনপ্রিয়তার পেছনে রয়েছে এক সমৃদ্ধ পারিবারিক ঐতিহ্য, জনসেবামূলক কর্মকাণ্ড ও এলাকার উন্নয়নে আন্তরিক আগ্রহ।
তানভীর আহমদ রানার দাদা মরহুম আলহাজ্ব শাহাবুদ্দীন মৌলভি ছিলেন একজন বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী ও প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য। শিক্ষার প্রসারে তিনি নিজের প্রায় ১০০ কোটি টাকার সম্পদ দান করে অসংখ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন করেন, যা আজও তাঁর সমাজসেবার দৃষ্টান্ত হিসেবে এলাকায় আলোচিত।
অন্যদিকে তাঁর পিতা, সাবেক এমপি ইঞ্জিনিয়ার শামছুদ্দিন আহমদ, ১৯৯৬ সাল থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ ২৫ বছর ধরে ফুলবাড়ীয়া উপজেলার বিএনপির অভিভাবক হিসেবে নেতৃত্ব দিয়েছেন। এমপি হওয়ার আগে থেকেই তিনি ৮০০ থেকে ৯০০ জনকে বিনামূল্যে সরকারি চাকরিতে সহায়তা করেন। এমপি নির্বাচিত হওয়ার পর এলাকায় রাস্তা, সেতু, স্কুল, কলেজ নির্মাণসহ উল্লেখযোগ্য উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করেন।
তাঁর মৃত্যুতে ফুলবাড়ীয়া বিএনপির রাজনীতিতে যে শূন্যতা সৃষ্টি হয়েছে, তা আজও কেউ পূরণ করতে পারেননি। অনেক নেতার আবির্ভাব ঘটলেও সাংগঠনিক দুর্বলতা ও জনগণের সঙ্গে দূরত্ব কাটানো সম্ভব হয়নি।
এই সময়ে, পিতার আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে তানভীর আহমদ রানা আমেরিকার বিলাসবহুল জীবন ত্যাগ করে এলাকায় ফিরে আসেন। জনগণের সেবা, উন্নয়ন ও বিএনপির পুনর্গঠনে নিজেকে সম্পূর্ণভাবে যুক্ত করেন তিনি। বর্তমানে তিনি উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে ঘুরে জনসংযোগ, গণশুনানি ও তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তুলছেন।
স্থানীয়দের মতে, তানভীর আহমদ রানা শুধু একজন রাজনীতিক নন, তিনি একজন ভিশনসম্পন্ন তরুণ নেতা, যিনি ফুলবাড়ীয়ার রাজনীতিতে নতুন দিগন্তের সূচনা করতে পারেন।
এলাকাবাসীর প্রত্যাশা—আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তানভীর আহমদ রানা এমপি মনোনয়ন পেলে, আবারও ফুলবাড়ীয়ার উন্নয়ন ও ঐতিহ্যের স্বপ্ন পূরণ হবে।
প্রকৌশলী মোঃ সাবিউদ্দিন
১০৫, সেনপাড়া পর্বতা, মিরপুর-১০, ঢাকা- ১২১৬
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।