স্টাফ রিপোর্টার (গাজীপুর): গাজীপুরের কালিয়াকৈরে এক তরুণীকে আবাসিক হোটেলে নিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে তার প্রেমিকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে ওই তরুণীর মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
শুক্রবার (১০ অক্টোবর) সকালে গুরুতর অবস্থায় তাকে টাঙ্গাইলের কুমুদিনী হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় কালিয়াকৈর থানায় একটি মামলা দায়ের হয়েছে এবং প্রেমিকসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তাররা হলেন— রাজশাহীর বাগমারা থানার সাজুরিয়া গ্রামের হেলাল উদ্দিনের ছেলে মমিনুল ইসলাম মোহন (২২) এবং পাবনার চাটমোহর থানার নিমাইচুরা গ্রামের শাহ আলমে আতিকুর রহমান (২৩)।
পুলিশ জানায়, ভুক্তভোগী তরুণী ও মমিনুল ইসলাম মোহন দুজনেই আশুলিয়ায় বসবাস করতেন এবং তাদের মধ্যে প্রায় তিন বছরের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) রাতে তারা গাজীপুরের চন্দ্রা এলাকার মান্নান প্লাজার একটি আবাসিক হোটেলে ওঠেন।
সেখানে একাধিকবার শারীরিক সম্পর্কের ফলে তরুণী অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে অসুস্থ হয়ে পড়েন। রাতেই তারা একটি ফার্মেসিতে যান, কিন্তু কোনো চিকিৎসা না পেয়ে শুক্রবার সকালে টাঙ্গাইলের কুমুদিনী হাসপাতালে নিয়ে যান। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি আশঙ্কাজনক দেখে ঢাকা নেওয়ার পরামর্শ দিলে অ্যাম্বুলেন্সে তোলার পরই তরুণীর মৃত্যু হয়।
এ সময় পরিস্থিতি বুঝতে পেরে অ্যাম্বুলেন্স চালক কৌশলে গাড়ি ঘুরিয়ে ভিকটিমের মরদেহ ও দুই আসামিকে টাঙ্গাইলের মির্জাপুর থানায় নিয়ে যান।
কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মান্নান জানান, “ধর্ষণ ও মৃত্যুর ঘটনায় দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক ছিল এবং বৃহস্পতিবার রাতে তারা হোটেলে অবস্থান করেছিল। শারীরিক সম্পর্কের পর অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে তরুণী মারা যায়। নিহতের মরদেহ টাঙ্গাইল সদর হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। ঘটনাটি তদন্তাধীন এবং আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।”
প্রকৌশলী মোঃ সাবিউদ্দিন
১০৫, সেনপাড়া পর্বতা, মিরপুর-১০, ঢাকা- ১২১৬
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।