1. [email protected] : admin :
বৃহস্পতিবার, ২৫ জুলাই ২০২৪, ১২:০৫ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ময়মনসিংহে বিভাগীয় বৃক্ষমেলা উদ্বোধন রোকন উদ্দিন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবগঠিত পরিচালনা কমিটির প্রথম সভা শিক্ষার্থীদের আদালতে যাওয়ার পরামর্শ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ফুলবাড়ীয়ার আছিম আন্তঃ ফুটবল টুনামেন্ট ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত স্ব-রাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা বিভাগের সহযোগিতায় দুইজন কারাবন্দীর আইনি সহায়তায় ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে আসক’র উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দল। ফুলবাড়িয়ায় উপ নির্বাচনে টিউবওয়েল প্রতিকে ভােট চাই, এডঃ মফিজ উদ্দিন মন্ডল টাকার ভারে হঠাৎ ভাব বেড়ে যায় দুই ভাইয়ের ফুলবাড়িয়ায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট (অনুর্ধব-১৭-) ফাইনাল খেলা শেষ পরীক্ষার সময়, মেয়ের খাতা দেখতে গিয়ে ফাঁসলেন শিক্ষক বাবা ফুলবাড়িয়ায় বিনামূল্যে গাছের চারা বিতরণ

৮ প্রহর ব্যাপী অখন্ড, শ্রী শ্রী তারকব্রহ্ম মহানাম যজ্ঞানুষ্ঠান

  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৪
  • ২৬৫ বার পঠিত

স্টাফ রিপোর্টার(ফুলবাড়িয়া): টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলা থেকে ২৬ কিলোমিটার পুর্বে ধলাপাড়া ইউনিয়নে ও ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় রাধা কৃষ্ণের ভক্তদের পুণ্যস্থান “গুপ্ত বৃন্দাবন” (Gupta Brindaban) নামক গ্রাম অবস্থিত।

এখানে প্রতিবছর চৈত্র মাসের ১২ তারিখ প্রায় ৭০০ বছরের পুরনো একটি কালো তমাল গাছকে কেন্দ্র করে জমজমাট বারুনি মেলার আয়োজন করা হয়। হিন্দু ধর্মাবলম্বী ছাড়াও এই উৎসবে আশেপাশের বিভিন্ন গ্রাম থেকে সকল ধর্মের দর্শনার্থীদের আগমন ঘটে।

গুপ্ত বৃন্দাবন গ্রামের নামকরণ এবং তমাল গাছটিকে ঘিরে নানান কল্পকথা প্রচলিত আছে। এলাকার স্থানীয় হিন্দু, আদিবাসি ও বৈষ্ণব সম্প্রদায়ের লোকেরা বিশ্বাস করেন, মধুরায় শ্রীকৃষ্ণের উপর কংশ রাজার অত্যাধিক অত্যাচারের কারনে রাধা এবং ১৫০০ জন গোপিনীকে নিয়ে শ্রীকৃষ্ণ পালিয়ে আসেন। এই ঘটনার কারণে স্থানটি গুপ্ত বৃন্দাবন নামে পরিচয় লাভ করে।

তবে ইতিহাস হতে পাওয়া তথ্য মতে, এই জায়গার পূর্ব নাম বৃন্দাবন। গুপ্ত বংশীয় বিভিন্ন নিদর্শন এই স্থান হতে প্রাপ্তির ফলে বৈষ্ণব ধর্মের প্রচারক ১৫৭৭ সালে জায়গাটির নাম দেন গুপ্ত বৃন্দাবন।

আর রাধা কৃষ্ণের ভক্তরা বিশ্বাস করে, গুপ্তবৃন্দাবনের তমাল গাছের ডালে রাধা কৃষ্ণ দোল খেতেন ও অভিসারে মিলিত হতেন।

তমাল গাছের উত্তর পাশে একটি রাধাগোবিন্দ মন্দির রয়েছে। এছাড়া এখানে আরো আছে বিভিন্ন প্রাচীন মূর্তি ও মন্দির। প্রতিবছর বাংলা সনের চৈত্র মাসে এখানে বাৎসরিক মেলা ও কীর্তনযজ্ঞের আয়োজন করা হয়।

স্থানীয়রা জানান, প্রাকৃতিক পরিবেশের আবহ থাকায় আগে রাধা-কৃষ্ণের প্রেম লীলার স্মৃতি কল্পনা করা যেত। ঐতিহাসিক এই তমাল গাছ রক্ষণাবেক্ষণের পাশাপাশি এখানকার সেই প্রাকৃতিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনার দাবি তাদের।

Facebook Comments Box
এই জাতীয় আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৩ দৈনিক ফুলবাড়ীয়া সংবাদ
Theme Customized By Shakil IT Park
error: Content is protected !!